BN/Prabhupada 0085 - জ্ঞান সংস্কৃতির অর্থ আধ্যাত্মিক জ্ঞান

From Vanipedia
Jump to: navigation, search
Go-previous.png Previous Page - Video 0084
Next Page - Video 0086 Go-next.png

জ্ঞান সংস্কৃতি মানে আধ্যাত্মিক জ্ঞান
- Prabhupāda 0085


Lecture on Sri Isopanisad, Mantra 9-10 -- Los Angeles, May 14, 1970

"জ্ঞানপূর্ন ব্যাক্তিরা আমাদের বোঝায় যে, জ্ঞানের সংস্কৃতি থেকে একটা পরিনাম পাওয়া যায়, এবং এটা বলা হয় যে একটি ভিন্ন ফলাফল প্রাপ্ত করা যায়, অজ্ঞান সংস্কৃতি থেকে।"

তাই গতকাল আমরা কিছু দিক ব্যাখ্যা করেছি অজ্ঞানের সংস্কৃতি কি, এবং জ্ঞান সংস্কৃতি কি। জ্ঞান সংস্কৃতির অর্থ আধ্যাত্মিক জ্ঞান। এটা বাস্তব জ্ঞান। এবং জ্ঞানের অগ্রগতির সুবিধার জন্য, এই ভৌতিক দেহ রক্ষা করার জন্য, এই অজ্ঞানের সংস্কৃতি। কেননা যেকোন প্রকারে আপনি এই শরীরটি রক্ষা করার চেষ্টা করছেন, এর স্বাভাবিক ক্রম তো হবেই। কি সেটা? জন্ম, মৃত্যু, জড়া - ব্যাধি(ভ.গী.১৩.৯) আপনি জন্ম ও মৃত্যুর পুনরাবৃত্তি থেকে এই দেহকে মুক্ত করতে পারবেন না, আর প্রকট রূপে, রোগ এবং বার্ধক্য থেকে, সুতরাং মানুষরা এই শরীরের জ্ঞানকে জানার জন্য খুব ব্যস্ত থাকে, যদিও তারা প্রতিটি মুহুর্তেই এই শরীর ক্ষয় প্রাপ্ত হতে দেখছেন। যখন দেহ জন্মগ্রহণ করেছে, তখনি এই দেহের মৃত্যু নিবন্ধিত হয়ে থাকে। এটা তথ্য। তাই আপনি এই শরীরের প্রাকৃতিক ক্রমকে বন্ধ করতে পারবেন না। আপনাকে শরীরের প্রক্রিয়াকে স্বীকার করতে হবে, অর্থাৎ, জন্ম, মৃত্যু, জড়া এবং ব্যাধি। তাই ভগবান বলছেন, এইজন্য,

যস্যাত্ম বুদ্ধিঃ কুণপে ত্রিধাতুকে (শ্রী.ভা.১০.৮৪.১৩) এই দেহ তিনটি প্রাথমিক তত্ত্ব দিয়ে তৈরীঃ কফ, পিত্ত, এবং বায়ু। এটি বৈদিক সংস্করণ এবং আয়ুরবেদিক উপাচার। এই শরীরটি কফ, পিত্ত, এবং বায়ুর একটি ব্যাগ। বৃদ্ধ বয়সে বায়ু সঞ্চলন অস্থির হয়ে যায়; তাই বুড়ো মানুষ বাতগ্রস্ত হয়, এবং অনেক শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয়। তাই ভাগবত বলছে, "যিনি স্বয়ং পিত্ত, কফ এবং বাতাসের এই মিশ্রণটি গ্রহণ করেছেন, সে একটি গাধা। প্রকৃতপক্ষে এটাই তথ্য। যদি নিজেকে আমরা এই কফ, পিত্ত, এবং বাতাসের সংমিশ্রণ গ্রহণ করি... তাই বুদ্ধিমান ব্যক্তি, একজন খুব মহান দার্শনিক, খুব মহান বিজ্ঞানী, এর মানে কি তারা কফ, পিত্ত এবং বায়ু্র সংমিশ্রণ? না। এটা ভুল। তারা এই পিত্ত বা শ্লেষ্ম বা বায়ু থেকে ভিন্ন। তারা আত্মা। এবং তার কর্ম অনুযায়ী, তার প্রতিভা উদ্ভাসিত ও প্রকাশিত করছে। তাই তারা এই কর্ম বুঝতে পারে না, কর্মের আইনকে। কেন আমরা এতগুলো ভিন্ন ব্যক্তিত্ব খুঁজে পাই?