BN/Prabhupada 0086 - কেন বৈষম্য

From Vanipedia
Jump to: navigation, search
Go-previous.png Previous Page - Video 0085
Next Page - Video 0087 Go-next.png

কেন বৈষম্য?
- Prabhupāda 0086


Sri Isopanisad, Mantra 9-10 -- Los Angeles, May 14, 1970

কেন আমরা অনেক আলাদা ব্যক্তিত্ব খুঁজে পাই? যদি তারা কফ, পিত্ত এবং বায়ু্র সংমিশ্রণ হয়, তাহলে কেন তারা সমান নয়? সুতরাং তারা এই জ্ঞানকে বিকশিত করে না। কেন এমন বৈষম্য? একজন মানুষ কোটিপতি হিসাবে জন্মগ্রহণ করেন; আরেকজন মানুষ জন্ম নেয়, সে এমনকি দিনে দুইবার পূর্ণ খাবারও পায় না, যদিও সে খুব কঠিন লড়াই করছেন। কেন এই বৈষম্য? কেন একজনকে এই ধরনের অনুকূল অবস্থার মধ্যে রাখা হয়? কেন অন্যজন নয়? সুতরাং কর্মের আইন আছে, ব্যক্তিত্ত্ব।

আর এটাই জ্ঞান, সেইজন্য ঈশপনিশদে বলা হয়েছে যে অন্যাদ এবাহুর বিদ্যয়া অন্যাদ আহুর অবিদ্যয়া। যারা অজ্ঞানতায় আছেন, তারা একটি আলাদা ধরনের জ্ঞানের উন্নতি বিকশিত করছেন, এবং যাদের মধ্যে জ্ঞান আছে, তারা অন্যভাবে বিকশিত করছেন। সাধারন লোক , তারা আমাদের কাজ পছন্দ করে না, কৃষ্ণভাবনামৃত, তারা অবাক হয়। গর্গমুনি কালকে সন্ধ্যেবেলায় আমাকে বলছিল যে, মানুষরা জিজ্ঞাসা করে, তোমরা কোথা থেকে এত টাকা পাও? তোমরা অনেক গাড়ি কিনছ এবং অনেক চার্চের সম্পত্তি কিনছ, এবং পঞ্চাশ ষাটজন লোককে প্রত্যহ প্রতিপালন করছো আনন্দ করছো, কি ব্যাপার (হাসি) তারা অবাক হয়ে যায়, এবং আমরা অবাক হই কেন এই ধুর্তগুলো... এত কঠোর পরিশ্রম করে শুধুমাত্র উদরপূর্তির জন্য। সুতরাং ভগবদগীতাতে বলা হয়েছে, যা নিশা সর্বভুতানাম তস্যাং জাগ্রতি সংযমী। আমরা দেখতে পাচ্ছি যে এই লোকগুলি ঘুমাচ্ছে, এবং তারা দেখছে যে আমরা টাইম নষ্ট করছি। এটা বিপরীত দৃষ্টিকোন, কেন? কারন তাদের কার্যের লাইন আলাদা, আমাদের কার্যের লাইন আলাদা। এখন একটি বুদ্ধিমান মানুষের দ্বারা আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, যার কার্যকলাপ প্রকৃতপক্ষে সঠিক।

এই ব্যাপারটি বৈদিক শাস্ত্রে খুব সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এখানে আরেকটি, যেমন এই ঈশপনিশদ আছে , এরকম আরেকটি উপনিশদ আছে, গর্গ উপনিশদ। তাই সেটা একটা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে আলোচনা, খুব শিক্ষনীয়। স্বামী স্ত্রীকে শেখাচ্ছে। এতৎ বিদিত্বা যে প্রয়াতি স এব ব্রাহ্মন গার্গি। এতৎ অবিদিত্বা যে প্রয়াতি স এব কৃপন। এই জ্ঞানের বাস্তব সংস্কৃতি, যে কেউ...প্রত্যেকে জন্ম গ্রহণ করে এবং প্রত্যেকে মৃত্যুবরন করে। এটি সম্পর্কে কোন আলাদা মতামত নেই। আমরা মারা যাব এবং তারা মারা যাবে। তারা বলতে পারে যে, তোমরা জন্ম,মৃত্যু,জড়া এবং ব্যাধির চিন্তা করছ। সুতরাং তোমরা মনে করো যে, কারন তোমরা কৃষ্ণ ভাবনামৃত জ্ঞান অনুশীলন করছ, তোমরা প্রকৃতির এই চারটি ক্রম থেকে মুক্ত হবে? " না। এটা তথ্য নয়। তথ্য এটাই, গর্গ উপনিশদে বলা হয়েছে এতৎ বিদিত্বা য প্রয়াতি। যিনি দেহকে ছাড়েন, উনি জানার পর, এটা কি, স এব ব্রাহ্মন, তিনি ব্রাহ্মন। ব্রাহ্মন...আমরা তোমাদের পবিত্র উপবিত প্রদান করি। কেন? শুধু আপনি জীবনের রহস্য কি বোঝার চেষ্টা করুন। এটাই ব্রাহ্মন। বিজানতঃ। আমরা এই শ্লোকে পড়েছি, বিজানতঃ। যিনি সবকিছু যর্থার্থ রূপে জানার পর এই দেহকে ত্যাগ করেন, তিনি ব্রাহ্মন।